জীবন্ত বেড়া

ইন্টারকোঅপারেশন - এএফআইপি প্রকল্পের সৌজন্যে আপডেটকৃত

                  

অনেক সময় ঝোপ জাতীয় বা ছোট আকার বিশিষ্ট গাছ ঘন করে লাগিয়ে কৃত্রিম বেড়া তৈরি করা হয়। এ ধরনের বেড়াকে জীবন্ত বেড়া বলা হয়। জীবন্ত বেড়া দেওয়ার জন্য ঘন ঝোপ হয়ে বাড়ে, এ ধরনের গাছ, যেমনঃ দুরন্ত বা কাটা মেহেদি, জবা, ঢোলকলমি, নিশিন্দা, কালমেঘ, বাবলা ও সরু বাঁশ ইত্যাদি লাগানো যেতে পারে। এ বেড়া তৈরিতে এসব গাছের চারা বা কাটিং ১৫ সেঃমিঃ দুরত্বে লাগাতে হয়। গাছের প্রকাভেদে বা পাশাপাশি (১৫-২০ সেঃমিঃ) দু’সারি গাছ লাগিয়ে এ বেড়া তৈরি করা হয়। কাঁটা বিশিষ্ট ফল গাছ (লেবু, করমচা) ঘন করে (৩০-৫০ সেঃমিঃ) লাগিয়েও বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা যায়। বর্ষার শুরুতে (জৈষ্ঠ্য মাসে) জীবন্ত বেড়ার জন্য চারা বা কাটিং লাগানোর ভাল সময়। এ সময় লাগালে পানি দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। ব্যবহৃত গাছগুলো যেন সুশৃ্‌ঙ্খলভাবে বাড়ে এ জন্য ১-১.৫ মিটার উচ্চতা এবং প্রায় ৫০-৭০ সেঃমিঃ চওড়া রেখে নিয়মিত অতিরিক্ত ডাল ছেটে দিয়ে সুন্দর হেজ বা বেড়া তৈরি করা হয়।

সুবিধা        
ক) তাৎক্ষনিক ভাবে তেমন ব্যয় বহুল নয়।
খ) স্থানীয় ভাবে সহজ লভ্য, সুবিধা মত গাছ লাগিয়ে এ বেড়া তৈরি সহজ।
গ) ঠিকমত রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারলে নার্সারি আকর্ষণীয় হয়।

অসুবিধা
ক) এ বেড়া তৈরি সময় সাপেক্ষ (১-২ বছর)।
খ) নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণে কিছুটা ঝামেলা আছে।
গ) জায়গা নষ্ট করে, জমির পুষ্টির অপচয় হয়।