নার্সারীর বালাই ব্যবস্থাপনার তথ্য
রোগবালাই ও দমনব্যবস্থা

ইন্টারকোঅপারেশন - এএফআইপি প্রকল্পের সৌজন্যে আপডেটকৃত

                  

উদ্ভিদের রোগ সাধারণতঃ কতগুলো জীবাণূ দ্বারা সংঘটিত হয়ে থাকে।  এগুলো হলো (ক) ছত্রাক, (খ) ব্যাকটেরিয়া, (গ) ভাইরাস, (ঘ) মাইকোপ্লাজমা ও (ঙ) নেমাটোড ইত্যাদি। এছাড়া গাছের শারীরিক অস্বাভাবিকতা, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা, অস্বাভাবিক আদ্রতা, প্রবল বাতাস, অধিক বৃষ্টিপাত, ঝাড়, অসম মাত্রায় সার ব্যবহার, কোন কারণে উদ্ভিদের গায়ে ক্ষতের সৃষ্টি ইত্যাদি কারণে উদ্ভিদের রোগ হতে পারে।

নিম্নে নার্সারীতে পরিলক্ষিত প্রধান প্রধান রোগ, রোগের লক্ষণ, প্রতিকার বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

ক্রমিক নং রোগ রোগের লক্ষণ প্রতিকার
ড্যাম্পিং অফ চারাগাছের গোড়া পচে যখন গাছটা একদিকে ঢলে পড়ে তখন তাকে ড্যাম্পিং অফ রোগ বলে। নার্সারী বেডে পানির অধিক্য হলে এ রোগ দেখা যায়। এ রোগে আক্রান্ত চারার গোড়া প্রথমে বাদামী ও পরে কালো রং ধারণ করে। এটি ছত্রাকজনিত রোগ। ইউক্যালিপটাসের চারাতেও এই রোগ দেখা যায়। সবজী বীজ তলায় এ রোগের প্রকাশ দেখা যায়। যেখানে চারা গাছ লাগানো হবে তার মাটি যেন বেলে থাকে এবং মাটিতে যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে । বেডের মাটি ফর্মালডিহাইড (৫০ : ১ অনুপাত), সৌরশক্তির সাহায্যে বা আগুন দিয়ে শোধন করে নিতে হবে।  কুপ্রাভিট বা বর্দোমিক্সার বা ডায়থেন এম-৪৫ দিয়ে রোগ প্রতিরোধ করা যায়। কুপ্রাভিট বা ডাইয়থেন  প্রতি লিটার পানির সাথে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
গোড়া/ মূল পঁচা রোগ পরজীবি ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়।  চারার গোড়া মাটির কাছাকাছি স্থানে পচে যায়। শিশু গাছের চারায় এই রোগ দেখা যায়। আক্রান্ত চারা তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। বোর্দো মিক্সার, কুপ্রাভিট বা ডায়থেন এম-৪৫ প্রয়োগ করে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়।     
পাতার দাগ রোগ এতে চারার পাতায় বাদামী, কালো, লাল ইত্যাদি দাগ দেখা যায়। আক্রান্ত চারা তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। কুপ্রাভিট প্রয়োগ করতে হবে।
নেতিয়ে পড়া রোগ চারা গাছের শিকড় ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হলে বেশী বাতাসে গাছের চারা শ্বসন বেড়ে গেলে পাতা ও নতুন শাখা প্রশাখা নেতিয়ে পড়ে। পানির সরবরাহ কম হলেও নেতিয়ে পড়া রোগ দেখা যায়। বর্দো মিক্সার বা ডায়থেন এম-৪৫ প্রয়োগ করে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়।  পানি সরবরাহ বৃদ্ধি করতে হবে।     
ডাইব্যাক রোগ পরজীবি ছত্রাকের আক্রমণে উপরিভাগের কান্ড শীর্ষ প্রান্ত হতে নীচের দিকে শুকিয়ে আসতে থাকে এবং পরে গাছ আস্তে আস্তে মারা যায়। চারা গাছের গোড়া পরিস্কার রাখতে হবে ও জমি তৈরীর সময় খৈল দিতে হবে। বোর্দো মিক্স্রার, কুপ্রাভিট, ডায়থেন এম ৪৫ প্রয়োগ করে এ রোগ দমন করা যায়।  আক্রান্ত ডগাটির মরা অংশের নীচে ৪-৫ ইঞ্চি পরিমান তাজা অংশ সহ কেটে অপসারন করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং কর্তিত স্থানে বোর্দ পেষ্ট লেপন করতে হবে।   
 

 

আমের রোগবালাই  দমনঃ

আমের অ্যানথ্রাকনোজ রোগঃ
অ্যানথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণে গাছের পাতা, কান্ড, মুকুল ও ফলে ধুসর বাদামী রংয়ের দাগ পড়ে। গাছে মুকুর আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার পূর্বে টিল্ট- ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি:লি: অথবা ডায়থেন এম-৪৫ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে  স্প্রে করতে হবে।

আমের মুকুলে পাউডারি মিলডিউ রোগঃ
ছত্রাক জাতীয় এ রোগের আক্রমণে আমের মুকুরে সাদা পাউডারের মত আবরন দেখা যায়। এর ফলে মুকুল ঝরে পড়ে, আক্রান্ত  আমের খোসা খসখসে হয় এবং কুঁচকে যায়। গাছে মুকুর আসার পর  থিওভিট-৮০ ডব্লিউ পি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম অথবা টিল্ট ২৫০ গ্রাম ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি: লি: মিশিয়ে সমভাবে স্প্রে করতে হবে।

সুটি মোল্ডঃ
সুটি মোল্ড রোগের জন্য গাছের পাতার উপর কালো আবরন পড়ে। পরিপুষ্ট আমের গায়েও কালো আবরন দেখা যায়। সুটি মোল্ড রোগে আক্রান্ত গাছে থিওভিট -৮০ ডব্লিউ পি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর  ২-৩ বার সেপ্র করলে এ রোগ দমন হয়।

ম্যালফরমেশনঃ
আক্রান্ত কান্ডের মাথায় অসংখ্য ছোট ছোট  কুঁড়ি বের হয় এবং এত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাতা থাকে। মুকুল আক্রান্ত  হলে তা অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি বিরাট আকার ধারণ করে এবং এত অনেকটা জটলার মত মনে হয়। এসব মুকুলের ফুলে কোন ফল ধরেনা। দমনের জন্য আক্রান্ত  মুকুল কেটে ধ্বংশ করে ফেলতে হবে এবং ডাল বা মুকুর কর্তিত স্থানে বোর্দ পেষ্ট  লাগাতে হবে। এক পরীক্ষায় দেখা যায় ম্যালফরমেশন মুকুলের ৭৫% শাখা পাতলা করে দিলে সংশ্লিষ্ট মুকুলে আম ধরতে দেখা দেয়।

আগা মরা বা ডাই ব্যাকঃ
রোগের আক্রামণ প্রথমে কচি পাতা ও ডগায় শুরু হয। আক্রান্ত অংশ বাদামী বা কালো রং ধারণ করে। এই কালো দাগ ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে ডাল শুকাতে থাকে । এ রোগ মনের জন্য আক্রান্ত ডগার কিছু সুস্থ্য অংশসহ কেটে পুড়ে ফেলতে হবে। এবং কাটা অংশে বোর্দ পেষ্ট লেপন করতে হবে।

লাল মরিচা বা রেডরাষ্টঃ
এতে পাতায় লাল মরিচা রংয়ের সুস্পষ্ট দাগ পড়ে। দাগগুলি সামান্য উচু হয়ে থাকে আক্রান্ত গাছ কপার জাতীয় ছত্রাকবারক যেমন - বোর্দো মিশ্রণ  অথবা কুপ্রাভিট প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে ১৫ দিন অন-র ভালবাবে স্প্রে করলে এ রোগের প্রকোপ কমে যাবে।

পেয়ারার রোগ বালাই দমনঃ
উইল্ট রোগঃ
এর আক্রমণে পাতা শুকিয়ে যায় এবং ছোট ডালপালাও শুকিয়ে যেতে থাকে। এ রোগ দমনের তেমন কোন ব্যবস্থা নাই। তবে বাগানের সঠিক পরিচর্যা করে এ রোগ দমনে সাহায্য করা যেতে পারে।

লীফ স্পট রোগঃ
এর আক্রমণে পাতা ও ফুলে ছোট ছোট বাদামি রং এর দাগ দেখা যায়। এ রোগ গাছের ফলের সথেষ্ট ক্ষতি করে থাকে। কুপ্রাভিট ৫০ ডিব্লউপি বা রিডোমিল ৭২ ডব্লিউপি  ২ গ্রাম / লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০-১৫ দিন পর পর ছিটিয়ে এর রোগ দমন করা যায়।
 
পেয়ারার এ্যনথ্রাকনোজঃ
পেয়ারা গাছের পাতা, কান্ড, শাখা-প্রশাখা ও ফল এ রোগে আক্রান- হয়ে থাকে। প্রথমে পেয়ারার গায়ে ছোট বাদামি রংয়ের দাগ দেখা যায়। দাগগুলো ক্রমান্বয়ে বড় হয়ে পেয়ারার গায়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে।

প্রতিকারঃ
১.    গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা ও ফল সংগ্রহ করে পুড়ে ফেলতে হবে।
২.    ডায়থেন এম-৪৫ প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম অথবা টিলট-২৫০ ইসি প্রতি লিটার ০.৫মিলি.  ১৫ দিন অন্তর ৩-৪ বার ভালভাবে সেপ্র করে এ রোগ দমন করা যায়।


লেবু জাতীয় ফলের রোগবালাই দমনঃ
রোগ দমনঃ
* লেবু জাতীয় ফল গাছের আগা মরা বা ডাইব্যাক অর্থাৎ পাতা এবং শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগ মরে যাওয়া একটি মারাত্নক রোগ। এ রোগ দেকা দিরে মরা ডালপালা ছেঁটে দিয়ে ১০-১৫ দিন পরপর বোর্দ মিক্সার বা কোন কপার ছত্রাক  নাশক প্রয়োগ করে এ রোগ দমন করা যেতে পারে।
* আক্রান্ত ডগাটির মরা অংশের নীচে ৪-৫ ইঞ্চি পরিমান তাজা অংশ সহ কেটে অপসারন করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং কর্তিত স্থানে বোর্দ পেষ্ট লেপন করতে হবে।
 * এ রোগ এক প্রকারের সাইলিড পোকা (ভেক্টর) দ্বারা এক গাছ থেকে অন্য গাছে বিস-ার লাভ  করে। বাহক পোকা দমন করে এর বিস-ার রোধ করা যেতে পারে।

কুলের রোগবালাই দমনঃ
পাউডারী মিলডিউ রোগঃ
কুলের পাউডারী মিলডিউ একটি মারাত্নক রোগ । গাছের পাতা ও কচি ফল পাউডারী মিলডিউ রোগে আক্রান- হয়। আক্রন্ত ফুল ও ফল গাছ হতে ঝরে গাছের পরিত্যক্ত অংশ এবং অন্যান্য পোষাক উদ্ভিদে এ রোগের জীবানু বেচে থাকে। বাতাসের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। গাছে ফুল দেখা দেয়ার পর থিওভিট প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম অথবা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি:লি: মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর দু’বার স্প্রে করতে হবে।

কাঁঠাল পচা রোগ বালাই দমনঃ

এক প্রকারের ছত্রাকের আক্রমনে কাঠালের মুচি বা ফল পচা রোগ হয়ে থাকে। এ রোগের আক্রমেণে কচি ফলের গায়ে বাদামী রংয়ের দাগের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ফল গাছ হতে ঝরে পড়ে। গাছের পরিত্যক্ত অংশে রোগের জীবানু বেচে থাকে এবং বাতাসের মাধ্যমে অন্য গাছে বিস্তার লাভ করে।

প্রতিকারঃ
১.    গাছের নিচে ঝরে পড়া পাতা ও ফল পুড়ে ফেলতে হবে।
২.    ফলিকুর নামক ছত্রাকনাশক ০.০৫% হারে পানিতে মিশিয়ে গাছে ফুল আসা হতে ১৫ দিন অন-র অন্তর ৩ বার সেপ্র করতে হবে।

মুচি ঝরা রোগঃ
ছত্রাকের আক্রমণে কাঠালের (স্ত্রী পুস্প মঞ্জরী) ছোট অবস্থাতেই কালো হয়ে ঝরে পড়ে। পুরুষ পুস্প মঞ্জরী স্বাভাবিকভাবেই কালো হয়ে ঝরে পড়ে।

প্রতিকারঃ
১.    মুচি ধরার আগে ও পরে ১০ দিন পর পর ২/৩ বার বর্দো মিশ্রণ অথবা কুপ্রাভিট প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
২.    ডাইথেন এম -৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭২ প্রতি লিটার পানিতে ২.০ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। 
পোকামাকড় ও দমনব্যবস্থা

ইন্টারকোঅপারেশন - এএফআইপি প্রকল্পের সৌজন্যে আপডেটকৃত

                  

বীজতলায় পোকা-মাকড়ের আক্রমন সাধারণত খুব একটা বেশি হয় না। তবে সচরাচর বা মাঝে মাঝে যেগুলো চোখে পড়ে তাদের মধ্যে উরচুঙ্গা, কাটুই পোকা, পিঁপড়া, ঘাস ফড়িং ইত্যাদি প্রধান। নিচে সংক্ষেপে এদের দমন ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হলঃ

১। উরচুঙ্গা (Field cricket)

চারার গোড়া কেটে দেয়। দমনের জন্য বিকেল বেলা নার্সারীতে বীজতলার পাশে আগাছা বা আবর্জনা স্তুপ করে করে রাখলে রাতে চারার গোড়া কাটার পর এরা আবর্জনা স্তুপের নিচে আশ্রয় নেয়। সকাল বেলা উক্ত আবর্জনা সরিয়ে সহজেই এদের মেরে ফেলা যায়। তাছাড়া বিষ টোপ ব্যবহার করেও এদের দমন করা যায়। বিষটোপ তৈরির জন্য এলড্রিন বা যেকোন কীটনাশক, ভূমি ও খন্ড ১ : ৪০০ : ৫০ অনুপাতে একত্রে মিশিয়ে বিষটোপ তৈরি করা যায়। পানি দ্বারা গর্ত বা মাটি সম্পূর্ণরূপে ভিজানো হলে গর্ত থেকে এরা বেরিযে আসে। তখন এদের মেরে ফেলা যায়।


২। কাটুই পোকা (Cutworm)

চারার গোড়া কেটে দেয়। দিনের বেলা মাটিতে ও গর্তে লুকিয়ে থাকে। ভোর বেলা কর্তিত চারার গোড়া খুঁড়ে কীটগুলো মারতে হবে। পানি দ্বারা ভাসিয়ে দিলে লার্ভা ও পিউপা মাটির উপর বের হয়ে পড়বে ও পতঙ্গভুক পাখি এদের ধরে খাবে। জমি তৈরির সময় হেক্টর প্রতি ৫ কেজি হেপ্টাক্লোর বা ক্লোরডেন মাটির সাথে ভালাভাবে মিশিয়ে দিলে এ পোকা কার্যকরীভাবে দমন করা যায়। রোপণের পর চারার চতুর্দিকে গর্ত করে ২ সেমি. গভীর করে বৃত্তাকারে গর্ত করে দিলে এ পোকা উক্ত চারা আর কাটতে পারে না। উপরোক্ত কীটনাশকগুলো পানিতে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে এ পোকা সহজে নিয়ন্ত্রিত হয়।


৩। পিঁপড়া (Ant)

বীজতলা থেকে বীজ নিয়ে যায়। তাছাড়া চারার শিকড় ও গোড়া খেয়ে ছিদ্র করে ফেলে। সেভিন, হেপ্টাক্লোর, বাইড্রিন, ডায়াজিনন ১০ জি বীজতলায় মাটির সাথে মিশিয়ে অথবা বীজতলার চতুর্দিকে একটু উঁচু করে ছাঁই অথবা কেরোসিন মিশ্রিত ছাঁই দিয়ে আইলের মত করে রাখলে পিঁপড়া আর বীজতলায় ঢুকতে পারে না। উপরোক্ত পোকাগুলো ছাড়াও নার্সারীতে স্থায়ী গাছপালায় নিন্মলিখিত পোকা-মাকড়গুলো সাধারণত দেখতে পাওয়া যায়ঃ

ক) গোলাপ বিটল (Rose bettle): পাতা খায় ও ছিদ্র করে।
খ) মাছি (Fly): কীড়া পাতা, শিকড় কিংবা কান্ড খায়।
গ) মাকড় (Mite): লিচু ও সীম জাতীয় গাছ আক্রমন করে।

ঘ) শোষক পোকা (Leaf, hopper, mealy bug, scale insect): কান্ড, পল্লব, ডগা ও পাতার রস খায়।
ঙ) জাব পোকা (Aphids): পাতা, কান্ড, ফুল ইত্যাদির রস খায়।
চ) সুয়া পোকা (Borer): সুয়া পোকা ডগা ও ফলে গর্ত করে।
ছ) লেবুর প্রজাপতি (Lemon butterfly): পাতা খায়।
জ) মাজরা পোকা (Red weevil, Stem borer): নারিকেল গাছের নরম অংশে কীড়া গর্ত করে।
ঝ) গোবরে পোকা (Rhinoceros beetle): নারিকেল গাছের প্রধান শত্রু।
ঞ) ফলের ভোমরা পোকা (Fruit weevil): ফলের শাঁস খায়।
ঞ) কান্ডের ভোমরা (Stem weevil): কান্ডে সুড়ংগ করে।
ট) ডগার মাজরা পোকা (Shoot borer): কচি ডগা ছিদ্র করে।


 

তথ্যসূত্র

ইন্টারকোঅপারেশন - এএফআইপি প্রকল্পের সৌজন্যে আপডেটকৃত

                  

বইয়ের নামঃ নার্সারী ও উদ্ভিদের বংশবিস্তার
লেখকের নামঃ প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ ফেরদৌস মন্ডল
প্রকাশ সালঃ অক্টোবর, ২০০০ (প্রথম)
পৃষ্টাঃ ৩-৬, ৯-১১, ১৩-১৭, ১৮-২১, ২৫-২৯।